বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় খুব সহজ

বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় বহু পুরনো সময় থেকে পর্যায় ক্রমে চলে আসছে। এর প্রাকৃতিক (constituents) ত্বককে মসৃণ, উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্যকর করে তোলে। আজকের আলোচনা বেসন ফেস প্যাকের অসাধারণ সুবিধাগুলো সম্পর্কে জানবো। যা ত্বককে দীপ্তিময় করে তোলে। যদি আপনি ফেস মাস্ক ব্যবহারের কথা ভেবে থাকেন, তাহলে এখানে বেসনের গুরুত্ব এবং উপকারিতা সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য প্রদান করব।

বেসন-দিয়ে-ফর্সা-হওয়ার-উপায়
গৃহস্থলী এবং নিখুঁত কোনও সাইটের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া এটি আপনার জন্য অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে এই পোস্ট। এই বেসনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করে আপনি ভেজাল পণ্য থেকে আপনার ত্বকের সুরক্ষা করতে সক্ষম হবেন। 

নিচের যে অংশ পড়তে চান সেখানে ক্লিক করুন

বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায়

বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় লিখে যারা সার্চ করেছেন এবং এই পোস্টে ক্লিক করেছেন তাদের শুভকামনা। এই পোস্ট থেকে আপনি আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। চলুন জেনে নিই  ত্বকের কোন ক্ষতি না করে ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল এবং ফর্সা কিভাবে করতে পারি।

আমাদের রান্নাঘরে থাকা কিছু পরিচিত উপকরণের মধ্যে বেসন একটি। তবে এর ব্যবহার শুধুমাত্র ভাজার জন্য বা অন্য খাবার তৈরির জন্য নয়, এর আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে। প্রাচীন কাল থেকে দাদি এবং নানি এই বেসনকে রূপচর্চা এবং ত্বক সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করে আসছেন।

বেসন ত্বকের মৃত কোষগুলি মুছে ফেলে এবং ত্বককে দীপ্তিময় করে তুলতে সাহায্য করে। নিয়মিত বেসনের ফেইস প্যাক ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বকে সঠিক পরিবর্তন আনা সম্ভব। ত্বককে উজ্জ্বল এবং টানটান করতে, পাশাপাশি মুখের অবাঞ্ছিত লোম ও অন্যান্য সমস্যা দূর করতে বেসন ব্যবহার করা যেতে পারে।

বেসন আসলে কি

বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানবো তবে আগে জানতে হবে বেসন আসলে কি? বেসন আসলে ছোলার ডাল থেকে তৈরি হয়। এটি প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি হয়। যার কোন ক্ষতিকারক দিক নেই। এটি একটি প্রাকৃতিক ত্বক পরিচর্যা উপাদান, যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে।কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের মধ্যে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং জটিল কার্বোহাইড্রেটের উচ্চ ঘনত্ব রয়েছে। 

এছাড়া এতে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ও ভিটামিন বি6 এর মত খনিজ উপাদান স্বাভাবিকভাবে মূলে আছে। বেসন দিয়ে যে ফেস প্যাক আমরা ব্যবহার করি সেই ফেস প্যাক আমাদের ত্বক থেকে ধুলো, অতিরিক্ত তেল এবং মৃত কোষগুলোকে অপসারিত করে। যার ফলে ত্বক পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

ত্বককে পরিষ্কার করে এবং অপরিষ্কার পদার্থ থেকে মুক্ত রাখে

বেসন একটি প্রাকৃতিক পরিষ্কারক হিসাবে কাজ করে। এটি ত্বকের ভেতরের থেকে ময়লা ও তেল অপসারণ করে, যার ফলে ত্বক স্বচ্ছ ও নতুন দেখায়। নিয়মিত বেসন মাস্ক ব্যবহার করলে ত্বক দূষণ ও অতিরিক্ত তেল থেকে রক্ষা পায়।

বেসন যেহেতু প্রাকৃতিক একটি উপাদান সে কারনে আমাদের ত্বকের কোন ক্ষতি না করে ত্বককে করে তোলে প্রাণবন্ত উজ্জল। এই বেসন ব্যবহারের ফলে আমাদের ত্বকের যত অপরিস্কার পদার্থ তা দূর করে। এটি যেহেতু একটি প্রাকৃতিক উপাদান সেহেতু এই বেসন দিয়ে যদি আমরা রূপচর্চা করে তাহলে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া আমরা আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে পারি। 

ত্বকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে

বেসনের মধ্যে থাকা সরাসরি স্কিন ব্রাইটনিং উপাদান ত্বককে উজ্জ্বল এবং আকর্ষণীয় করে তোলে। বেসন ব্যবহারে ত্বকের গঠন উন্নত হয় এবং সেইসঙ্গে ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। তাই বেসন ফেস প্যাক একটি নির্ভরযোগ্য উপায় উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার জন্য।

আমরা অনেকে, অনেক নামিদামি ক্রিম ব্যবহার করি যা আমাদের ত্বকের ক্ষতি করে। আমরা আমাদের ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে বেসন ব্যবহার করতে পারি। যা আমদের ত্বকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। 

বেসন ফেস প্যাক কিভাবে তৈরি করবেন

বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের আগে জানতে হবে, বেসন দিয়ে কি ভাবে ফেস প্যাক  তৈরি করতে হয়। বেসন দিয়ে ফেস প্যাক তৈরি করা অনেক সহজ চলুন জেনে নি।

বেসন  প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বকের কোন ক্ষতি করে না। ত্বকের ধরন অনুযায়ী বেসন দিয়ে আমরা ফেস প্যাক  তৈরি করতে পারি। চলুন জেনে নি কোন ত্বকের জন্য কোন ফেস প্যাক টি কার্যকর হবে। 

ত্বকের তেল ভাব দূর করতে যা করবো

প্রথমে দুই চা চামচ বেসন নিবো তার সাথে গোলাপ জল দুই চামচ ও লেবুর রস পরিমাণ মতো। লেবুতে
আছে ভিটামিন সি। যা ত্বককে টান টান করে আর তেল ভাব দূর করে। 

ওগুলো এক সাথে মিশিয়ে পুরো মুখে লাগাতে হবে।লাগানোর পর ২০ থেকে ৩০ মিনিট রাখতে হবে।  তারপর শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখটা সুন্দরভাবে ধুয়ে নেব। 

শুষ্ক ত্বকের জন্য

শুষ্ক ত্বকের জন্য ২ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ মধু, ২ চা চামচ গরুর কাঁচা দুধ একটি পরিস্কার পাত্রে সব গুলো উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্ট করে নেব। এরপর মুখ ও গলায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করব। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবো। মধু ও দুধ ত্বককে কোমল রাখে।

ত্বক থেকে কাল ভাব দূর করতে

বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় এর মধ্যে আর ও একটি গুরুত্ব উপাদান হল আমাদের ত্বক থেকে কাল দাগ দূর করে। যদি আপনার ত্বকের মধ্যে কালো দাগ থাকে তাহলে কেমন একটা অস্বস্তি কর ব্যাপার মনে হয়। যা দেখতে খুবই বিরক্তিকর লাগে। চলুন জেনে নেই বেসন দিয়ে কিভাবে ত্বক থেকে কালো ভাব দূর করবো। 


প্রথমে ২ চা চামচ বেসন, অল্প পরিমাণে হলুদ গুঁড়ো এবং ১ চা চামচ টক দই। ভাল ভাবে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবো। দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের ভেতর থেকে পরিস্কার করতে সাহায্য করে।

যাদের ত্বকে ব্রন আছে 

আমাদের ত্বকে ব্রন একটি নিত্য দিনের সমস্যা। আমরা যারা চাকুরি জীবী বা সংসার করতে গিয়ে নিজের যত্ন ঠিকমতো নিতে পারি না তাদের এই ব্রণ সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে যার সমস্যা আছে তার সমাধান ও আছে। এই ব্যস্ততার মাঝে আমরা যদি সপ্তাহে তিনদিন নিজেকে সময় দিই, তাহলে নিজের যত্ন নিতে পারব।

বেসন-দিয়ে-ফর্সা-হওয়ার-উপায়

চলুন খুব অল্প সময়ে তার সমাধান করি। ব্রন দূর করতে বা ব্রনের কালো দাগ দূর করতে ১ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ চন্দন গুড়ো আর সামান্য পানি ব্যবহার করবো। এই সব কিছু দিয়ে পেস্ট  তৈরি করে পুরো মুখে লাগিয়ে  শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবো। 

আর ও পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম

তবে  লক্ষ্য রাখতে হবে ফেস প্যাক ব্যবহারের  আগে অবশ্যই ভালো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। আর ফেস প্যাক ব্যবহারের পর মুখে ভাল কোন  ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। এই বেসন ফেস প্যাক সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করবো তাহলে ১ মাসের মধ্যে  অবিশ্বাস্য ফলা ফল দেখতে পাবো।

ত্বকের মৃত কোষগুলো অপসারণ করে বা মুছে ফেলতে সহায়ক

আমাদের ত্বকে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মৃত কোষ থাকে। যেগুলো আমরা খালি চোখে দেখতে পাইনা। সেইসব মৃত কোষগুলো আমরা অপসারণ করতে পারি বেসনের সাহায্যে। বেসন গুণ ত্বক থেকে অবাঞ্চিত মৃত কোষগুলো নির্মূল করে। এটি নিয়মিত ব্যবহারে নতুন এবং উজ্জ্বল ত্বক প্রকাশ পায়। এর ফলে ত্বকের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।  


আমাদের মুখমণ্ডল অনেক সংবেদনশীল। তাই বেসনের ফেস প্যাক ব্যবহারের পর জোরে জোরে ঘষবেন না। কোমল হাতে বা তিনটি আঙ্গুল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এর ফলে আপনার মৃত কোষগুলি দ্রুত Remove হবে।

ত্বকের দাগ বা বিবর্ণতা কমাতে সাহায্য করে

ঘরে বসে যদি আমরা ফর্সা হতে চাই তাহলে বেসনের কোন বিকল্প নেই। বেসনের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ত্বকের দাগ, গভীর কালচে এলাকাগুলি ও অন্যান্য রঙের সমস্যা মোকাবেলা করতে সহায়ক। স্বাস্থ্যকর pH থাকা কারণে, বেসন ত্বকের অন্ধকার অংশ কমিয়ে দেয় এবং পরিষ্কার, নরম ত্বক প্রদান করে।


আমরা নামীদামী  প্রোডাক্ট ব্যবহার করে ত্বকের ক্ষতি না করে আমরা ঘরোয়া ভাবে ত্বকের যত্ন নিতে পারি। সর্বপরি বলতে পারি বেসন ঘরোয়া ভাবে আমাদের ত্বকের যত্ন নিতে অনেক সাহায্য করে।  

ত্বকে স্বাভাবিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে 

বেসন এমন একটি উপাদান যা ময়েশ্চারাইজার হিসেবে আমাদের ত্বকে কাজ করে। অতিরিক্ত শুষ্কতা প্রতিরোধ করে এবং প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় রাখে। বেসন দ্বারা প্রস্তুত ফেস প্যাকটি ত্বককে নরম এবং মসৃণ রাখতে সহায়তা করে, বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের জন্য এটি খুবই কার্যকর।

মসৃণতা প্রদান করে এবং ত্বককে শীতল অনুভূতি দেয়

গরম কালে আমাদের ত্বকের যেই স্বাভাবিক আদ্রতা থাকার কথা সেই আদ্রতা অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাই। যা ত্বকের জোলস হারিয়ে যায়। সেই জোলস ফিরিয়ে আনতে বেসনের সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে যদি নিয়মিত ব্যবহার করি তাহলে ত্বক মসৃণ ও শীতল হয়। এটি উজ্জ্বল আভা তৈরি করতে সহায়ক। ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করলে ত্বক থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত দাগ দূর হয়।বেসিনে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া না থাকাই সবাই ব্যবহার করতে পারে।

পিম্পল কমাতে সহায়তা করে

আমরা ফর্সা হওয়ার জন্য বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে থাকি। যা আমদের ত্বকের জন্য অনেক ভয়াবহ। বিভিন্ন ক্রিমের মধ্যে বিভিন্ন এসিড দেওয়া থাকে যা ত্বকের যত্নের জন্য একদম পারফেট না। আমাদের অনেকের ত্বক অনেক রকম। কারো ত্বক তৈলাক্ত কারো শুষ্ক হওয়ার কারনে বাজারের নামীদামী ক্রিম ত্বকে সুট না করার কারনে ব্রণ বা পিম্পল সমস্যা লেগেই থাকে।
বেসন-দিয়ে-ফর্সা-হওয়ার-উপায়
এই ব্রণ বা পিম্পল ভাল করার জন্য অনেক কিছু ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু দেখা যাই অনেক ক্রিম আছে যা ব্রন কিছু দিনের জন্য ভাল হয়। আবার বাহির হয়। আমরা যদি নিয়মিত বেসন ফেস প্যাক ব্যবহার করি তাহলে এই ময়লাগুলি দূর হয় এবং ত্বক স্বাস্থ্যকর ও পরিষ্কার থাকে, ফলে ব্রণের পরিমাণ কমে আসে।

ত্বকের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে 

বেসন শুধু আমাদের ত্বকে ফর্সা করে না বেসনের মধ্যে থাকা ঠান্ডা এবং প্রাকৃতিক উপাদানগুলি ত্বকের স্ফীতি এবং জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। যাদের ত্বক রক্তিম বা অতিরিক্ত গরম হয়, তারা বেসন ফেস প্যাক ব্যবহারে শান্তি পেতে পারেন। যখন আমরা বেসন, দুধ, গোলাপ জল, টক দই,পানি ইত্যাদি মিশিয়ে ফেসে ব্যবহার করি তখন ঠাণ্ডা অনুভুত হয়। এতে করে ত্বকের উপরিভাগের অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে এবং ফোলাভাব দূর করে। 

কেন আপনার জন্য গ্লোয়িং এবং উচ্চমানের ফেস মাস্ক ব্যবহার করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ

জ্বলমলে এবং সজীব ত্বক শুধুমাত্র রূপের চিহ্ন নয়, এটি আপনার ত্বকের কার্যকারিতা ও সুস্থতার পরিচায়কও। একটি মানসম্পন্ন ফেস মাস্ক কেন আপনার স্কিনকেয়ার অভ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত, তার মূল কারণগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

বেসন গভীর পুষ্টি প্রদান করে (Deep Nourishment)

সাধারণ ফেসওয়াশ বা ময়েশ্চারাইজার ত্বকের বাইরের স্তরে কাজ করে। তবে বেসন একটি মানসম্পন্ন  ফেস মাক্স হতে পারে আপনার জন্য। বেসনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানগুলি ত্বকের গভীরে প্রবাহিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেল সরবরাহ করে। এতে আছে, খাদ্য আঁশ (ফাইবার) এটি ত্বককে অভ্যন্তরীণভাবে পুষ্ট ও উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। 

ডিটক্সিফিকেশন এবং গভীর পরিষ্কার (Deep Cleansing)

দিনভর জমা থাকা ধুলোবালি, দূষণ এবং মেকআপের অবশিষ্টাংশ ত্বকের লোমকূপে জমা হয়। উন্নত মানের মাস্ক (যেমন ক্লে মাস্ক বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল মাস্ক) ত্বককে ডিটক্সিফাই করতে এবং লোমকূপগুলিকে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে বেসন। যা ব্রণের সমস্যাকে মোকাবেলা করে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে (Instant Glow)

গুণগত মানের মাস্কগুলোতে এমন কিছু কার্যকর উপাদান থাকে যা মৃত ত্বক কোষকে অপসারণ করে। এর ফলে ত্বকের অন্ধকার ভাব দূর করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সতেজ ও উজ্জ্বল ভাব ফুটিয়ে তোলে।

আর্দ্রতা বজায় রাখা (Hydration)

যাঁদের ত্বক শুষ্ক বা নিস্তেজ, তাঁদের জন্য হাইড্রেটিং মাস্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি ত্বকের আর্দ্রতা সংরক্ষণ করে, ফলে ত্বক দীর্ঘ সময়ের জন্য নরম এবং কোমল থাকে।

অকাল বার্ধক্য ঠেকানো

বেসন ফেস মাস্কে যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এটি ত্বককে ঝুলে যাওয়া থেকে বাঁচায় এবং বলিরেখা কমিয়ে তরুণ দেখায়। ঝুলে যাওয়া চামড়া টান টান করে। 

ত্বকের যত্ন নেওয়া কোনো বিলাসিতা নয়, বরং নিজের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ। সুতরাং, আপনার ত্বকের ধরণের উপর ভিত্তি করে একটি সঠিক এবং মানসম্মত ফেস মাস্ক নির্বাচন করুন। 

লেখকের শেষ মন্তব্য  

বেসন দিয়ে ফর্সা হওয়ার উপায় সম্পর্কে আমরা অনেক কিছু শিখেছি যা আমাদের জীবনে উপকারে আসবে। বিখ্যাত পণ্য কেনার পরিবর্তে, ঘরোয়াভাবে আমরা ত্বকের সঠিক যত্ন নিতে পারি। বেসন দিয়ে তৈরি ফেস প্যাক হচ্ছে আপনার প্রতিদিনের ত্বকের যত্নের জন্য একটি সহজ, প্রাকৃতিক এবং কার্যকর পন্থা। এই লেখায় উল্লেখ করা নিয়ম অনুযায়ী বেসন ফেস প্যাক ব্যবহার করলে দ্রুত ফল মিলবে। তাই আজ থেকেই বেসনের যত্ন শুরু করুন এবং অর্জন করুন সুন্দর, উজ্জ্বল ত্বক।  

আমার বিশ্বাস এই পোস্ট থেকে আপনি আপনার সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন। এই পেজে সব  ইউনিক পোস্ট করা হয়। যা আপনার কাজে আসবে আশা করি। যদি পোস্ট টি আপনার ভাল লাগে তাহলে আমার সাথেই থাকবেন। আপনার জন্য বেস্ট পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করব।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রোজটেক এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url